২০৩১ সালের নারী বিশ্বকাপ আয়োজক হবে যুক্তরাষ্ট্র
হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ফিফা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছে যে ২০৩১ সালের নারী ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেওয়া হবে।
হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জিলিয়ানি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ফিফা ট্রাম্পকে আগেই নিশ্চিত করেছে যে পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্ট যুক্তরাষ্ট্র আয়োজন করবে।
যদিও ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশকে আয়োজক হিসেবে ঘোষণা করেনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কোস্টা রিকা এবং জ্যামাইকার যৌথ বিড বা প্রস্তাবটিই একমাত্র প্রতিযোগী হিসেবে রয়েছে।
চলতি বছরের শেষভাগে ফিফার এক বিশেষ কংগ্রেসে সদস্য দেশগুলোর ভোটের মাধ্যমে ২০৩১ এবং ২০৩৫ সালের নারী বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জিলিয়ানি বলেন, “আমি জানি তারা প্রেসিডেন্টকে আগেই জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ২০৩১ সালের বিশ্বকাপ পাচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে দারুণ একটি বিষয়।”
তবে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতির পুনরাবৃত্তি করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। জিলিয়ানি জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয়টি ফিফার সঙ্গে তাদের অবস্থানের সামঞ্জস্যের ওপর নির্ভর করবে, যেখানে ট্রান্সজেন্ডার নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি জড়িত।
জিলিয়ানি আরও বলেন, “নারী বিশ্বকাপ যেন যুক্তরাষ্ট্রের নীতির পরিপন্থী না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। নারী বিশ্বকাপে যেন নারীরাই খেলেন, কোনো জৈবিক পুরুষ নয়—বিষয়টি আমাদের অবস্থানের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
“সরকারের তরফ থেকে কোনো নিশ্চয়তা দেওয়ার আগে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। যদি এই নীতি কার্যকর থাকে, তবে আশা করছি আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে যাবে।”
ট্রাম্প প্রশাসন নারী ক্রীড়ায় ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ বন্ধ করাকে তাদের অন্যতম প্রধান অভ্যন্তরীণ নীতি হিসেবে ঘোষণা করেছে। যদিও ফিফার বর্তমান নিয়ম এতোটা কঠোর নয়।
ফিফা তাদের অধীনে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টগুলোতে নিজস্বভাবে কোনো লিঙ্গ পরীক্ষা করে না, বরং খেলোয়াড়দের যোগ্যতার বিষয়টি যাচাইয়ের দায়িত্ব জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনগুলোর ওপর ছেড়ে দেয়।
