থমাস টুখেলের পাশে ওয়েন রুনি, তবে পেপ গার্দিওলার ব্যাপারে ভিন্ন মত
ইংল্যান্ড দলের ম্যানেজার হিসেবে থমাস টুখেলকে রেখে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন ওয়েন রুনি। তবে এক্ষেত্রে কেবল একটি ব্যতিক্রম হতে পারে—যদি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) পেপ গার্দিওলাকে কোচ হিসেবে আনতে সক্ষম হয়।
পুরুষদের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারানোর পর বর্তমানে ইংল্যান্ড দলের পারফরম্যান্স নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দলের ভরাডুবি নিয়ে ইংল্যান্ডের ফুটবল মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বুধবার ২-১ গোলে হেরে যাওয়ার পর থমাস টুখেলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। স্যার গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে বড় ম্যাচে ইংল্যান্ড যেভাবে রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ত, এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে বলে মনে করছেন সমালোচকরা।
যদিও প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুযায়ী, টুখেলের ওপর এফএ-র গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের আস্থা এখনো অটুট আছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই জার্মান এই কোচের সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে এফএ।
ইংল্যান্ড দলের সাবেক অধিনায়ক রুনি তার ‘দ্য ওয়েন রুনি শো’-তে বলেন, “আমি বর্তমানে অন্য কোনো বিকল্প দেখছি না, যদি না আপনারা পেপ গার্দিওলাকে নিয়ে আসেন। যদি পেপ পাওয়া যায়, তবেই হয়তো তাকে আনার কথা ভাবা যেতে পারে।”
টুখেলের ভূয়সী প্রশংসা করে রুনি আরও বলেন, “আমি মনে করি তিনি একজন প্রথম সারির কোচ। সেরা কোচরা নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নেন এবং ক্রমশ উন্নতি করেন। এখন যদি আমরা তাকে বরখাস্ত করি, তবে কাকে কোচ হিসেবে নিয়ে আসব? গার্দিওলা ছাড়া আর কাউকে টুখেলের চেয়ে ভালো বলে আমার মনে হয় না।”
রুনির মতে, বিশ্বকাপের মঞ্চটি সম্পূর্ণ আলাদা। এই বিষয়ে টুখেলের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে। রুনি যোগ করেন, “আমার কাছে বড় ব্যাপার হলো, বিশ্বকাপের পরিবেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার নেই। ফাবিও ক্যাপেলোর ক্ষেত্রেও আমরা একই পরিস্থিতি দেখেছিলাম। বিশ্বকাপ অন্যরকম এক টুর্নামেন্ট, যার পরিবেশটি অনুভব করা প্রয়োজন। এখন টুখেল সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।”
