ডেনজেল ডামফ্রিস এই গ্রীষ্মে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর তার বিকল্প খুঁজছে ইন্টার মিলান। আর সেই লক্ষ্যেই আবারও ইন্টারের ভাবনায় ফিরে এসেছেন মুসা দিয়াবি।
ইন্টার মিলানের নজরে মুসা দিয়াবি, তবে বাধা আকাশচুম্বী বেতন
এই গ্রীষ্মে ইন্টার মিলান ইতিমধ্যেই জন স্টোনস, ইভান প্রোভদেল এবং আলেকসান্ডার স্টানকোভিচকে দলে ভিড়িয়েছে। তবে ডামফ্রিসের শূন্যস্থান পূরণের পাশাপাশি টটেনহ্যামের ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে দলে টানার লক্ষ্যও এখনো বজায় রেখেছে দলটি।
দলের উইং পজিশনে আরও একজন খেলোয়াড় প্রয়োজন বলে মনে করেন কোচ ক্রিশ্চিয়ান কিভু। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে প্রাক-মৌসুম প্রীতি ম্যাচের পর তিনি বলেন, দলের বাঁ প্রান্তে একজন খেলোয়াড় কম আছে। বর্তমানে দলে তিনজন উইঙ্গার আছেন, যদিও কার্লোস অগাস্টোকেও সেখানে খেলানো যায়। এছাড়া লুইস এনরিকে ডান বা বাম উভয় প্রান্তেই খেলতে পারেন, তবুও আমাদের আরও একজন খেলোয়াড় দরকার।
কোচ কিভু আরও বলেন, ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হতে এখনো অনেক সময় বাকি। আমাদের ধৈর্য ধরে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এর আগে ইন্টার মিলান মার্কো প্যালেস্ট্রা এবং ইউনিয়ন সেন্ট গিলোইসের আনান খালাইলিকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্যালেস্ট্রা চেলসিতে যোগ দেন এবং খালাইলির মেডিকেল পরীক্ষার পর সেই চুক্তি ভেস্তে যায়।
তবে জিয়ানলুকা ডি মারজিও এবং স্কাই স্পোর্ট ইতালিয়া-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারের ট্রান্সফার তালিকায় মুসা দিয়াবি পুনরায় গুরুত্ব পাচ্ছেন।
অ্যাস্টন ভিলার প্রাক্তন এই উইঙ্গারকে গত জানুয়ারিতেও স্যান সিরোতে আনার চেষ্টা করেছিল ইন্টার। তখন প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তাকে লোনে বা স্থায়ীভাবে কেনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
ইন্টার মিলানের জন্য দিয়াবির ট্রান্সফার ফি বড় কোনো বাধা নয়। তবে সৌদি আরবের ক্লাব আল-ইত্তিহাদের হয়ে তিনি যে বিশাল অংকের বেতন পান, তা কমিয়ে ইন্টারের বেতন কাঠামোতে আনাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
সৌদি আরবে দিয়াবি প্রতি বছর বোনাস ছাড়া ১৫ মিলিয়ন ইউরো এবং বোনাসসহ ২০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি বেতন পান।
