পিএসজির কাছে হারলেও অ্যাস্টন ভিলার খেলায় আশার আলো
মরগান রজার্স এবং ইউরি টিলেম্যানসের মতো তারকা ফুটবলাররা দল ছাড়লেও, চলতি মৌসুমে সমর্থকদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অ্যাস্টন ভিলা অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। অস্ট্রিয়ায় পিএসজির বিপক্ষে হেরেও সেই কথার প্রতিফলন ঘটিয়েছে দলটি। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে অ্যাস্টন ভিলার এই লড়াই মূলত গত ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ৫-৪ গোলের সেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথা মনে করিয়ে দিল।
ম্যাচটিতে ভিলার দল কিছুটা দুর্বল ছিল। ওলি ওয়াটকিন্স, এমি মার্টিনেজ এবং এজরি কনসাকে বিশ্বকাপে খেলার কারণে বাড়তি ছুটি দেওয়া হয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতে কিশোর ব্রায়ান মাডজোকে মাঠে নামার সুযোগ দেয় ক্লাব। রেজিস্ট্রেশন নিয়ে জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নিজের সক্ষমতা দেখালেন তিনি। সেই সঙ্গে ১৯ বছর বয়সী মিডফিল্ডার জর্জ হেমিংসও মূল একাদশে শুরুর সুযোগ পেয়েছেন।
ম্যাচটি হারলেও অ্যাস্টন ভিলার জন্য ইতিবাচক দিক ছিল বুদাকার কামারার প্রত্যাবর্তন। গত জানুয়ারি মাসে হাঁটুতে গুরুতর চোট পাওয়ার পর এই প্রথম কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাঠে নামলেন তিনি।
আগামী ২৩ আগস্ট ব্রাইটনের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলা আরও শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষ দুই সপ্তাহে ক্লাব নতুন খেলোয়াড় দলে ভেড়াতে সক্রিয় থাকবে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের লেফট-ব্যাক মাতেও রুগেরি এই সপ্তাহেই ক্লাবে যোগ দিতে পারেন। এছাড়া বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার জোয়াও পালহিনহাকে দলে নেওয়ার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে ভিলা।
নিখুঁত ফুটবল পছন্দ করা কোচ উনাই এমেরির কাছে এই হার নিশ্চয়ই হতাশাজনক। প্রতিযোগিতায় এটি তার চতুর্থ পরাজয়। তবে অ্যাস্টন ভিলা নতুন যুগের সূচনা করায় সমর্থকদের মধ্যে আশাবাদী হওয়ার মতো অনেক কারণ রয়েছে।
