ইউরো ২০২৮ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কোচ থাকছেন থমাস টুখেল
ইংল্যান্ড ফুটবল দলের প্রধান কোচ থমাস টুখেলের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। আশা করা হচ্ছে, তিনিই ২০২৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ইংল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দেবেন।
বুধবার আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ায় ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া হয় ইংল্যান্ডের।
১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে জয় হাতছাড়া হওয়ায় ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে টুখেলের কৌশল এবং খেলোয়াড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। তবে এফএ-র প্রধান নির্বাহী মার্ক বুলিংহাম স্পষ্ট করেছেন যে, টুখেলের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ১৮ মাসের চুক্তিতে ইংল্যান্ডের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এই জার্মান কোচ। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দুই বছরের জন্য চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করেন।
ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড এবং রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৮ সালের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে টুখেলের। নিজের দেশে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দলকে নেতৃত্ব দেওয়াকে তিনি একটি বিরল সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে জয় পেলে ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে এটিই হবে ইংল্যান্ডের পুরুষ দলের সেরা সাফল্য।
এফএ প্রধান নির্বাহী বুলিংহাম বলেন, ‘এত কাছে গিয়েও জয় না পাওয়াটা সত্যিই হৃদয়বিদারক।’
‘খেলোয়াড় এবং থমাস আজকের ম্যাচে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন।’
‘আমি তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত এবং দেশের বাড়িতে থাকা আমাদের চমৎকার ভক্তদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
সেমিফাইনালে হারার হতাশা থাকলেও, ইংল্যান্ডের এই অগ্রগতিকে দলের ভেতরে একটি সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আটলান্টায় টুখেল বলেন, ‘ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ পর্যন্ত আমাদের চুক্তি অনুযায়ী আমরা কাজ চালিয়ে যাব।’
‘যদিও এই মুহূর্তে অনেক দূরের কথা চিন্তা করা কঠিন, তবে আমি সেই টুর্নামেন্টের অপেক্ষায় আছি।’
‘অবশ্যই, এটি একটি সেমিফাইনাল ছিল। অনেক বড় বড় ফুটবল শক্তি সেমিফাইনালে ওঠার আগেই বিদায় নিয়েছে, তাই এটিও একটি অর্জন।’
‘এই মুহূর্তে কেউ হয়তো এই কথা শুনতে চাইবে না; আমিও চাই না, কারণ আমরা নিজেদের কাছে সবসময় সেরাটা আশা করি। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের এটাই নিয়ম।’
