ইস্টবেঙ্গল- ০ : আল সিব- ২
কলকাতা: প্রথমবার যখন ওমানের ঘরের মাঠে এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল, তখনই মনে হয়েছিল এই আল সিব গ্ৰুপের সবথেকে দুর্বল দল হলেও ইস্টবেঙ্গলের জন্য সহজ প্রতিপক্ষ একদমই হবে না। সেই আশঙ্কাকেই সত্যি করে ঘরের মাঠে ওমানের এই দলটির কাছে হেরে এসিএল টু-র স্বপ্ন কার্যত শেষ হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের। নেপথ্যে, কোচ হাবাসের ভুল গেমপ্ল্যান ও একরাশ গোল মিস।
যুবভারতীতে হাবাসের দলে দেখা গেল সেই দেশি স্ট্রাইকারদের উপর ভরসা। দলে নেই দুই বিদেশী স্ট্রাইকার, বদলে খেলছেন এডমুন্ড ও ডেভিড। ম্যাচের শুরু থেকেই চাপ বজায় রেখেছিল ইস্টবেঙ্গল। একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছে, বক্সে ঢোকা হয়েছে, কিন্তু হয়নি শুধু গোল। ২০ মিনিটের মাথায় ক্ষমার অযোগ্য মিস করলেন রশিদ। বিপিনের ক্রস পাওয়ার সময় গোলের নিচে গোলকিপার ছিলেন না। তাও বল গোলে ঠেলতে ব্যর্থ হলেন রশিদ। আটকে গেলেন দানি রামিরেজও।
যদিও আজ প্রথমার্ধেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ডিফেন্ডার আনোয়ার আলি। দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিপত্য স্থাপন করেছিল ইস্টবেঙ্গল কিন্তু গোল আসেনি। যদিও ৬০ মিনিটে ডেভিড ও জিকসনকে তুলে একে লোবা ও রোহিত কুমারকে নামান হাবাস। এরপরেই গোল করার লক্ষ্যে অল আউট আক্রমণ করতে থাকে লাল-হলুদ। যদিও, আক্রমণ করে ওমানের দলটিও। সেই আক্রমণের ফল ৭৬ মিনিটে আল মালকির শট, যা অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন লাল-হলুদ গোলকিপার পূর্বা লাচেঙপা।
এর মিনিট দশের মধ্যেই নেমে আসে বিপর্যয়। ৮৫ মিনিটে হাসানের পা থেকে বল পেয়ে চূড়ান্ত দক্ষতার সঙ্গে গোল করে যান অ্যালেক্স মেয়ে। এর মিনিট ছয়েকের মধ্যেই কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ২-০ করে যান জাহির আল আখবারি। ০-০ থেকে ০-২ পিছিয়ে পড়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারত না লাল-হলুদ। পারলও না। একাধিক গোল মিস, আক্রমণ করেও সুযোগ নষ্ট, অনুন্নত ডিফেন্সের অভিজ্ঞতার অভাবের ফলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হেরে এসিএল টু থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত ইস্টবেঙ্গলের। এখন অঙ্কের হিসাবে কিছু শতাংশ সুযোগ আছে বটে, কিন্তু নিজের ম্যাচেই যেখানে জয় আসছে না, সেখানে বাকি দলের হার আশা করা স্রেফ বিলাসিতাই নয়, ভয়ঙ্কর অপরাধও।
Disclaimer: Some of the football news content displayed on this website is automatically syndicated from RSS Feeds We do not claim ownership of these syndicated stories, and all rights remain with the original publisher.