আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ডের পরাজয়: টুখেলের কৌশল নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের পর পাঁচ দিন পার হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল থেকে বিদায়ের পর থমাস টুখেলের রণকৌশল নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। ইংল্যান্ডের ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা অবস্থায় টুখেল যেভাবে খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছেন, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সেই ম্যাচে যুক্তরাজ্যে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ দর্শক খেলাটি উপভোগ করছিলেন।
Day five of getting over England’s defeat to Argentina. Long runs. Cold showers. Thinking about Djed Spence’s tackle while another dad talks at me by the gates. Imagining England’s possession figures in a final against this Spain. Isn’t it better to go out beating France 6-4 than losing to Spain 1-0? Better to go out praying to god with French players than begging for mercy from Spanish ones? Pete’s taking the kids to the zoo, or something.
I’ve watched it back twice now, from Anthony Gordon‘s goal to full-time. It’s weirdly cathartic being transported back to a moment in time when hope still burned, when you can still draw a little thrill from England celebrating their lead, like re-reading a great book even though you don’t like the ending.
অ্যান্ড্রস টাউনসেন্ডের ব্যাখ্যা এবং এলিয়ট অ্যান্ডারসনের খেলার বিশ্লেষণ শোনার পর মনে হয়, টুখেল ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের শক্তি কমিয়ে দিয়েছিলেন, যা আর্জেন্টিনাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের পেছনে তিনটি প্রধান কারণ স্পষ্ট। প্রথমত, ৭২ মিনিট পর ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে অতিরিক্ত খেলোয়াড় নামানো। দ্বিতীয়ত, আক্রমণভাগে গতি কমিয়ে দেওয়া এবং ক্লান্ত খেলোয়াড়দের বেশিক্ষণ মাঠে রাখা। তৃতীয়ত, ইংল্যান্ডের ফুটবল খেলা বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতা।
অ্যান্থনি গর্ডনের গোলের পর ইংল্যান্ড কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়লেও আক্রমণ ধরে রেখেছিল। কিন্তু ৬৩ মিনিটে হ্যারি কেইন এবং জুড বেলিংহাম অনেক গভীরে নেমে যাওয়ায় রিস জেমস বল পাওয়ার পর কাউন্টার অ্যাটাক করার সুযোগ পাননি। টুখেল সেই সময় কোনো নতুন গতি বা শক্তি মাঠে আনেননি।
এ ছাড়া গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের ভূমিকাও ছিল লক্ষণীয়। ম্যাচের শেষ ৩০ মিনিটে তিনি ছোট পাসের পরিবর্তে বারবার লম্বা বল সামনে পাঠিয়েছেন, যা ইংল্যান্ডের বল দখলের সুযোগ কমিয়ে দেয় এবং চাপের মুখে ফেলে দেয়। আর্জেন্টিনা যখন আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, তখন টুখেলের এই কৌশল ইংল্যান্ডের মানসিকতাকে ভেঙে দেয়। গর্ডনকে তুলে নিয়ে কনসাকে নামানোর সিদ্ধান্তটিও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কনসা ডান দিকে উইং-ব্যাক হিসেবে সুবিধা করতে পারেননি, যার ফলে শেষ মুহূর্তে সমতাসূচক গোল করার সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়।
থমাস টুখেল কি ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে উপযুক্ত? তিনি কি তার ভুল থেকে শিক্ষা নেবেন? তিনি স্কোয়াডে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড বা অ্যাডাম হোয়ার্টনের মতো সৃজনশীল খেলোয়াড়দের সেভাবে ব্যবহার করেননি, বরং শারীরিক শক্তির ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। টুখেলের এই রক্ষণাত্মক মানসিকতা এবং খেলোয়াড়দের ওপর আস্থার অভাব এখন বড় আলোচনার বিষয়। হ্যারি কেইন নিশ্চিত করেছেন যে টুখেল এই বিশ্বকাপ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভুল সংশোধনের জন্য দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষা করার সুযোগ কম। কোচ হিসেবে টুখেল যখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে এগিয়ে নেওয়ার দাবি রেখেছিলেন, তখনই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
