লন্ডন: ফের একবার লিও মেসিকে পিছনে ফেললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ব্যালন ডি অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্রথম B.O.A.T (Ballon d’Or of All Time) ফ্যান ভোটে সেরা নির্বাচিত হল রোনাল্ডোর ২০০৮ সালের ব্যালন জয়। ২০০৮ সালে ভয়ানক ফর্মে ছিলেন রোনাল্ডো। সেবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে ৪৮ ম্যাচে ৪২ গোল করেছিলেন তিনি। তাঁর দুরন্ত পারফরম্যান্সের সৌজন্যেই সেই বছর একই সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দ্বিতীয় স্থানে আছে মেসির ২০১২ সালের ব্যালন জয়। তৃতীয় স্থানে আছে রোনাল্ডোর ২০১৭ সালের ব্যালন জয়।
প্রথম দশে মেসি-রোনাল্ডোর দাপট-
B.O.A.T ফ্যান ভোটের প্রথম ১০টি স্থানই দখল করেছেন ফুটবল বিশ্বের এই মহাতারকা। দুজনেরই ৫-৫টি করে মরসুম নেওয়া হয়েছে এই তালিকায়। রোনাল্ডোর মোট মরসুমগুলি হল – ২০০৮, ২০১৭, ২০১৬, ২০১৪, ২০১৩। মেসির মোট মরসুমগুলি হল – ২০১২, ২০২৩, ২০১৫, ২০১১, ২০০৯।
কেন রোনাল্ডোর ২০০৮ সালকে নিয়ে এত চর্চা হয়?
২০০৮ সাল শুধু রোনাল্ডোর কেরিয়ারের অন্যতম সময় নয়, বলা হয় সেই সময় ম্যান ইউ অনেকটা তাঁর উপর নির্ভর থাকত। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ৩১টি গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন তিনি। এরপর ইউসিএল ফাইনালে চেলসির বিরুদ্ধেও গোল করেন পর্তুগিজ তারকা। এই সাফল্যের জন্যই ২০০৮ সালে ব্যালন পেয়েছিলেন রোনাল্ডো।
বেশি দূরে নেই মেসিও-
২০১২ সালের মেসিও বেশ দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন। সেবার ক্লাব ও দেশের হয়ে মোট ৯১টি গোল করেছিলেন বার্সার এই তারকা। এই সময়ে তাঁর অসাধারণ গোল করার ক্ষমতার জন্যই ২০১২ সালকে মেসির কেরিয়ারের সেরা সময় বলে উল্লেখ করেন।
কী এই B.O.A.T পুরস্কার?
ব্যালন ডি অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভক্তদের সামনে ১০ জনের ব্যালন জয়ী সেরা মরসুম ভোট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে এই ভোটে কোনও ফুটবলারের কেরিয়ারকে বিচার করা হয়নি। বরং তাঁর ব্যালন জয়ী মরসুমগুলির মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ভক্তরা। তাই এই ফ্যান ভোট রোনাল্ডোর জনপ্রিয়তাকেই তুলে ধরছে।
Disclaimer: Some of the football news content displayed on this website is automatically syndicated from RSS Feeds We do not claim ownership of these syndicated stories, and all rights remain with the original publisher.
