ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ব্রোঞ্জ পদক ম্যাচের ৭ হাজার টিকিট এখনও অবিক্রীত
ফিফার টিকিট ওয়েবসাইটে শনিবার অনুষ্ঠিতব্য ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ব্রোঞ্জ পদক ম্যাচের প্রায় ৭,০০০ টিকিট এখনও অবিক্রীত অবস্থায় রয়েছে।
শুক্রবার বিএসটি সময় সকাল ১০টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচটি (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় শুরু) এখনও সম্পূর্ণ হাউসফুল হয়নি। সাধারণ বিক্রয়ের জন্য রাখা ১,২৪৬টি টিকিটের দাম ৮৬৫ ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) এবং ১,১২৫ ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ফিফার অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মে আরও ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম দামি ক্যাটাগরি তিন-এর টিকিটগুলোর অভিহিত মূল্য ৪৫৫ ডলার (প্রায় ৩৪৬ পাউন্ড), যার সাথে ফিফার ১৫ শতাংশ ফি যোগ করা হয়েছে। তবে উচ্চ মূল্যের অনেক টিকিটই আসল কেনা দামের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যে ক্যাটাগরি এক-এর টিকিটের আসল মূল্য ১,১২৫ ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড), তা বর্তমানে ৬৯৯ ডলার (প্রায় ৫০০ পাউন্ড) ছাড়কৃত মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে রবিবার অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটিও এখনও পুরোপুরি বিক্রি হয়ে শেষ হয়নি। সাধারণ বিক্রয়ের জন্য রাখা ৩২টি অত্যন্ত মূল্যবান টিকিট এখনও অবিক্রীত রয়েছে। এগুলো ভিআইপি টিকিট না হয়েও সাধারণ টিকিট হিসেবেই বিক্রি হচ্ছে, যার প্রতিটির মূল্য ২৯,৯৯৫ ডলার (২২,৭৯৬ পাউন্ড) থেকে ৩২,৯৭০ ডলার (২৫,০৫৭ পাউন্ড) পর্যন্ত।
ফিফার রিসেল সাইটে এখনও এক হাজারের বেশি টিকিট বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছে, যার বেশ কয়েকটির দাম মূল্যের সাথে ফিফার ফি যুক্ত হয়ে নির্ধারিত হয়েছে। এসব টিকিটের আসল মূল্য ছিল ৭,৩৮০ ডলার (৫,৬০৯ পাউন্ড)। ফলে এসব টিকিট কিনতে গেলে ফিফা অতিরিক্ত ১,১০৭ ডলার (৮৪১ পাউন্ড) ফি হিসেবে গ্রহণ করবে।
ফাইনাল ম্যাচের রিসেল প্ল্যাটফর্মে থাকা সবচেয়ে দামি টিকিটটির মূল্য ২ মিলিয়ন ডলার (১.৫২ মিলিয়ন পাউন্ড) নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সাথে ফিফার ফি বাবদ অতিরিক্ত ৩ লাখ ডলার (২,২৮,০০০ পাউন্ড) যুক্ত হবে। উল্লেখ্য, রিসেল প্ল্যাটফর্মে টিকিটের এই দাম ব্যবহারকারীরাই নির্ধারণ করে থাকেন এবং এগুলো সরাসরি ক্রেতাদের প্রকৃত ক্রয়মূল্য নির্দেশ করে না।
