বেটফ্রেড সুপার লিগে তুলুজকে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত হাডার্সফিল্ড জায়ান্টসের
বেটফ্রেড সুপার লিগ
তুলুজ (৬) ১০
ট্রাই: হ্যান্ডস, জাসোমে গোল: শোরক্স
হাডার্সফিল্ড (২২) ২৬
ট্রাই: হালসল ২, গ্রিনউড, রেঞ্চ গোল: ফ্ল্যানাগান ৫
স্টেড আর্নেস্ট-ওয়ালনে তুলুজ অলিম্পিককে ২৬-১০ ব্যবধানে হারিয়ে বেটফ্রেড সুপার লিগে নিজেদের জয়ের ধারা বজায় রেখেছে হাডার্সফিল্ড জায়ান্টস। এটি ছিল তাদের টানা চতুর্থ জয়।
এই জয়ে জোড়া ট্রাই করেছেন স্যাম হালসল। তার নৈপুণ্যে হাডার্সফিল্ড জায়ান্টস পয়েন্ট টেবিলের তলানি থেকে উপরে উঠে এসেছে এবং ব্র্যাডফোর্ড বুলসকে পেছনে ফেলেছে। গত তিন সপ্তাহে জায়ান্টরা চলতি মৌসুমের বাকি সময়ের চেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছে।
অন্যদিকে, দশম স্থানে থাকা তুলুজের এটি টানা চতুর্থ পরাজয়। ২০২২ সালের পর প্রথম সুপার লিগ ক্যাম্পেইনে ভালো শুরুর পর টানা তিন জয়ের ধারা থাকলেও বর্তমানে দলটি ছন্দ হারিয়েছে।
ম্যাচের শুরুর দিকে হাডার্সফিল্ড আধিপত্য বিস্তার করে খেলে। উইং থেকে হালসল বাম কোণ দিয়ে সহজ এক ট্রাই করে দলের খাতা খোলেন। এরপর ব্রেন্ডন হ্যান্ডসের ট্রাইয়ে তুলুজ ম্যাচে সমতায় ফেরে।
স্বাগতিক দলের ইনফ্লুয়েন্সিয়াল হাফ-ব্যাক জেক শোরক্স ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়লে দলটির ছন্দপতন ঘটে। এর কিছু পরেই হালসল তার দ্বিতীয় ট্রাইটি সম্পন্ন করে হাডার্সফিল্ডকে এগিয়ে দেন। বিরতির আগে হ্যারি রাশটনের পাস থেকে জো গ্রিনউড ব্যবধান বাড়ান এবং কোনর রেঞ্চ ডান দিক দিয়ে আরেকটি ট্রাই করলে প্রথমার্ধে বড় লিড পায় সফরকারীরা।
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ট্রিস্টান পাওয়েল ও টানে মিলনে হলুদ কার্ড দেখলে হাডার্সফিল্ড দীর্ঘ সময় ১২ জন নিয়ে খেলে। তবে রক্ষণভাগ সামলে জর্জ ফ্ল্যানাগানের পেনাল্টি কিক থেকে তারা স্কোরবোর্ড আরও সমৃদ্ধ করে।
ম্যাচের শেষ দিকে তুলুজের শীর্ষ ট্রাই-স্কোরার ম্যাথিউ জাসোমে একটি ট্রাই করে ব্যবধান কমালেও তা কেবল সান্ত্বনাই ছিল। খেলার ৩০ সেকেন্ড বাকি থাকতে ফ্ল্যানাগান আরও একটি পেনাল্টি কিক থেকে গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় হাডার্সফিল্ডের।
তুলুজ: পোলসেলি, লাগুয়েরে, ট্রপিস, জাসোমে, উলবার্গ, লাকানস, শোরক্স, বাটলার, হ্যান্ডস, রুম্যানোস, ও’কেন, গ্রোসেমি, ক্যাটার।
ইন্টারচেঞ্জ: ম্যারিয়ন, চ্যান, বেলমাস, তোলিফোয়া।
হাডার্সফিল্ড: ফ্ল্যানাগান, হালসল, রেঞ্চ, গাগাই, মিলনে, ক্লুন, লোলোহিয়া, রজার্স, উলফোর্ড, কিং, হিউইট, ডানফোর্ড, রাশটন।
ইন্টারচেঞ্জ: পাওয়েল, গ্রিনউড, কোজ্জা, গেয়ার।
সিন-বিন: পাওয়েল (৪৮ মিনিট), মিলনে (৬৪ মিনিট)।
রেফারি: রায়ান কক্স।
