ক্লাব তিজুয়ানা থেকে গিলবার্তো মোরাকে দলে ভেড়াতে চায় লিভারপুল
ট্রান্সফার ইনসাইডার পডকাস্টে কথা বলার সময় সাংবাদিক পিট ও’রুরকে দাবি করেছেন যে, লিভারপুল ক্লাব তিজুয়ানার প্লেমেকার গিলবার্তো মোরার দিকে নজর দিয়েছে। ও’রুরকে বলেন, “শুধু লিভারপুল নয়, ইউরোপের বড় বড় সব ক্লাবই এই মেক্সিকান বিস্ময় প্রতিভার প্রতি আগ্রহী।”
তিনি আরও বলেন, “সে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা উদীয়মান তারকা। লিভারপুল সেই ক্লাবগুলোর মধ্যে অন্যতম, যারা মোরার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং তার ওপর নজর রাখছে। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ম্যান সিটি, চেলসি, পিএসজি এবং বায়ার্ন মিউনিখও তার ব্যাপারে আগ্রহী। সে যদি দলবদলের জন্য প্রস্তুত হয়, তবে নিশ্চিতভাবেই বড় সব দল তাকে পেতে চাইবে। বর্তমানে মোরার জন্য এটি একটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা হতে যাচ্ছে। সে যেহেতু অত্যন্ত মেধাবী এবং বিশ্বের বর্তমান সেরা তরুণ খেলোয়াড়দের একজন, তাই বিশ্বের সব বড় ক্লাবই তাকে সই করানোর চেষ্টা করবে।”
মেক্সিকান ফুটবলে মোরার দ্রুত উত্থান
গত মৌসুমে ক্লাব তিজুয়ানার হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন ১৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৩টি ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি ১০টি গোল করেছেন এবং দুটি গোলে সহায়তা করেছেন। মেক্সিকোর অন্যতম প্রতিভাবান এই প্লেমেকারকে দলে পেতে লিভারপুল এই অফ-সিজনে আগ্রহ দেখাচ্ছে। ক্লাব তিজুয়ানার সঙ্গে ২০২৯ সাল পর্যন্ত তার বর্তমান চুক্তি রয়েছে, যার ফলে এই গ্রীষ্মে তাকে কম দামে দলে পাওয়া লিভারপুলের জন্য কঠিন হতে পারে।
লিভারপুলের লক্ষ্য কি মোরা? ভবিষ্যতের সম্ভাবনা কতটুকু?
মোরা দূরপাল্লার শট নিতে অত্যন্ত দক্ষ এবং প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের আশেপাশে নিখুঁত পাস দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। পায়ে বল নিয়ে ড্রিবলিংয়েও তিনি বেশ পারদর্শী এবং দলের প্রয়োজনে গোল করা বা গোল তৈরিতে অবদান রাখতে পারেন। মোরা মূলত একজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, তবে প্রয়োজনে উইঙ্গার বা স্ট্রাইকার হিসেবেও খেলতে পারেন। অবশ্য প্রিমিয়ার লিগের শারীরিক সক্ষমতা এবং উচ্চ তীব্রতার খেলার সঙ্গে তিনি মানিয়ে নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদে লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলার আক্রমণভাগের শক্তি বাড়াতে সক্ষম মোরা। আগামী মৌসুমে মার্সিসাইড ক্লাবের প্রথম একাদশে জায়গা করে নেওয়ার মতো সক্ষমতা তার রয়েছে। ১৭ বছর বয়সী মোরা একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় এবং অ্যানফিল্ডে দীর্ঘমেয়াদে সফল হওয়ার সব গুণই তার মধ্যে আছে। তাই এই ট্রান্সফার পিরিয়ডে তাকে দলে নেওয়া ইরাওলার জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
