চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শততম ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় কিলিয়ান এমবাপ্পে
আগামীকাল এএস রোমার বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে মাঠে নামলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের শততম ম্যাচ পূর্ণ করবেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি এই ফরোয়ার্ডের জন্য এটি একটি বড় মাইলফলক।
আন্তর্জাতিক বিরতির বিতর্কিত সব আলোচনা পেছনে ফেলে মাঠে নিজের সেরা ফর্মে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন এমবাপ্পে। দলের প্রয়োজনে গোল করাই এখন তার মূল লক্ষ্য। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় আরও একটি ইতিবাচক ফলাফলের জন্য এই ম্যাচে তার ধারালো পারফরম্যান্স জরুরি।
ইউরোপের সেরাদের কাতারে এমবাপ্পের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ রেকর্ড
২০১৬–১৭ মৌসুমে মোনাকোর জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যাত্রা শুরু করেন এমবাপ্পে। সেই থেকেই ইউরোপের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ প্রতিভাবান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।
এখন পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে ৯৯টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যেখানে প্রতি ম্যাচে গড়ে ০.৭১ গোল হিসেবে মোট ৭১ বার প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছেন এমবাপ্পে।
তিনি তার খেলা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মোট ৪৯টি ম্যাচে গোল পেয়েছেন, অর্থাৎ প্রতি প্রায় দুটি ম্যাচের একটিতে গোল করার রেকর্ড রয়েছে তার। এই পরিসংখ্যান তাকে টুর্নামেন্টের সর্বকালের সেরা গোলদাতার তালিকায় পঞ্চম স্থানে বসিয়েছে। যেখানে তার সমান গোল রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি রাউলের।
তালিকার শীর্ষে থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, রবার্ট লেভান্ডোভস্কি এবং করিম বেনজেমা যথাক্রমে ১৪০, ১২৯, ১০৯ এবং ৯০টি গোল করেছেন। শততম ম্যাচ খেলার মাধ্যমে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগ পাচ্ছেন এমবাপ্পে।
হ্যাটট্রিক, জোড়া গোল ও রিয়াল মাদ্রিদে দুর্দান্ত সময়
ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় এমবাপ্পের গোল করার ক্ষমতা অনন্য। অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে একটি ম্যাচে তিনি একাই চারটি গোল করেছিলেন।
এছাড়াও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তিনি চারটি হ্যাটট্রিক করেছেন, যার মধ্যে দুটি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। সেই সাথে রয়েছে ১১টি ম্যাচে জোড়া গোল করার কৃতিত্ব। গত মৌসুমে ১৫ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন এই ফরাসি তারকা।
তবে তার গোলের পরিসংখ্যানে উন্নতির জায়গা এখনো রয়েছে। মোট ৫৬টি শটের মধ্যে ৩০টি লক্ষ্যে ছিল, ১৩টি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে এবং ১৩টি শট প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ব্লক হয়েছে। এই তথ্যগুলোই রিয়াল মাদ্রিদের এই প্রধান আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের বর্তমান চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে। এমবাপ্পে ইউরোপের অন্যতম বিপজ্জনক ফরোয়ার্ড হিসেবে পরিচিত, তবে তার শটে আরও নিখুঁত হতে পারলে গোলের সংখ্যা আরও বাড়বে।
