ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয় হয়ে অলিম্পিয়া ক্লাবে অভিষেক টিম পেনের
ইনস্টাগ্রামে ভোজিনহার মতো অতটা জনপ্রিয় না হলেও, নিউজিল্যান্ডের ডিফেন্ডার টিম পেন সবার নজর কেড়েছেন। ভোজিনহার আগেই তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘সেলিব্রেটি’ হয়ে ওঠেন এবং গত রবিবার (২ তারিখ) প্যারাগুয়ের ক্লাব অলিম্পিয়ার হয়ে গোল করে নিজের অভিষেক ম্যাচ রাঙান।
আর্জেন্টিনার ইনফ্লুয়েন্সার ভ্যালেন স্কারসিনি লক্ষ্য করেন যে, বিশ্বকাপ অ্যালবামে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে টিম পেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবচেয়ে কম জনপ্রিয়। এরপরই তাকে নিয়ে শুরু হয় প্রচারণা। বিশ্বকাপের আগেই তার অনুসারীর সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০ থেকে বেড়ে ৫৫ লাখে পৌঁছায়, যা নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই পেন সবার নজরে আসেন এবং সবাইকে চমকে দিয়ে অলিম্পিয়া ক্লাবে যোগ দেন। এই ক্লাবটি কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলোতে ভাস্কোর মুখোমুখি হবে।
Now it’s for REAL! Vozinha arrives in 🇨🇱 to reinforce Colo-Colo
বিশ্বকাপে তিনি নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনটি ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন এবং একটি অ্যাসিস্টও করেছেন।
অলিম্পিয়া ক্লাবে তার চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর, স্থানীয় লিগে রুবিও নু-এর বিপক্ষে ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। অভিষেকেই শুধু নয়, তিনবারের লিবার্তাদোরেস চ্যাম্পিয়নদের হয়ে ৮৫তম মিনিটে দারুণ এক গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন পেন।
পারের অলিম্পিয়ায় যোগ দেওয়ার পেছনে পারিবারিক কারণও ছিল। তার স্ত্রী মিশেল পিটার্সের আদি নিবাস কোস্টারিকায়। তারা চেয়েছিলেন তাদের দেড় বছর বয়সী ছেলে ব্রুকলিন ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশে বেড়ে উঠুক।
১৮ বছর বয়সে ব্ল্যাকবার্ন পেনকে সই করিয়েছিল, কিন্তু ইংল্যান্ডে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা পেতে ব্যর্থ হন তিনি। এরপর তিনি এমএলএস-এ পোর্টল্যান্ড টিম্বরসের হয়েও খেলেছেন। নিউজিল্যান্ড ফুটবলে ফেরার আগে ওয়েলিংটন ফিনিক্সের হয়ে সাতটি মৌসুম কাটিয়েছেন এই ডিফেন্ডার।
