ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়তে চান গোলরক্ষক রাদেক ভিটেক
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলরক্ষক রাদেক ভিটেক জানিয়েছেন, তিনি দ্রুত নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান এবং ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ছেড়ে অন্য ক্লাবে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
অ্যাক্রিংটন স্ট্যানলি ও অস্ট্রিয়ান বুন্দেসলিগার মতো ক্লাবে সফল ঋণভিত্তিক (লোন) সময় কাটানোর পর, গত মৌসুমে ব্রিস্টল সিটির হয়ে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন ভিটেক। তিনি ক্লাবটির পক্ষ থেকে তিনটি ‘প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারও জিতেছেন।
ইউনাইটেডের অনেক সমর্থক আশা করেছিলেন যে, এই পারফরম্যান্সের পর তিনি প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক সেন লামেনসের ডেপুটি হিসেবে ক্লাবে ফিরবেন। তবে এমন কোনো পরিকল্পনা কখনো ছিল না। মূলত প্রাক-মৌসুম শুরুর আগেই ভিটেকের অন্য কোনো ক্লাব খুঁজে নেওয়ার কথা ছিল।
সেটি এখনো না হওয়ায়, হেলসিংকি সফরে রেক্সহামের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে গোলপোস্ট সামলেছেন এই চেক গোলরক্ষক। ২৪ জুলাই নরওয়েতে রোজেনবার্গের বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি খেলবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে নিজের বর্তমান পরিস্থিতি যে সাময়িক, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট।
ভিটেক বলেন, “আমি অন্য কোথাও যাওয়ার জন্য প্রস্তুত এবং আশা করছি সেখানে নিয়মিত এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে খেলব।”
এটি কি আবারও ঋণভিত্তিক নাকি স্থায়ী কোনো চুক্তি হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সত্যি বলতে আমি দুটির জন্যই প্রস্তুত। এটি ক্লাবের ইচ্ছা এবং পাওয়া সুযোগের ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে কিছু আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে। আমরা সেরাটি বেছে নেওয়ার চেষ্টা করছি এবং আশা করছি খুব দ্রুতই তা সম্পন্ন হবে।”
গত মার্চে বিবিসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিটেক জানিয়েছিলেন, নিয়মিত খেলাটাই তার মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য থেকে তিনি এখনো সরে আসেননি। ভিটেক বলেন, “আমার ভাবনা একই রয়েছে। আমি প্রতি সপ্তাহে খেলতে চাই এবং সামনের মৌসুমের জন্য এটিই আমার লক্ষ্য।”
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সংখ্যালঘু মালিক স্যার জিম র্যাটক্লিফ এর আগে একাডেমি খেলোয়াড়দের বিক্রি করে পর্যাপ্ত অর্থ উপার্জন করতে না পারার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। ভিটেককে বিক্রির মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণ হতে পারে। এই কারণে তার চুক্তির মেয়াদ আরও দুই বছর বাকি থাকলেও, ঋণভিত্তিক চুক্তির বদলে স্থায়ীভাবে দলবদলের সম্ভাবনা বেশি। তবে যেকোনো চুক্তিতে মোটা অঙ্কের ‘সেল-অন’ ক্লজ এবং ‘বাই-ব্যাক’ অপশন যুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
