ব্রাইটন ফ্যানস ফোরামে টিকিটিং সংকট ও দলের কৌশল নিয়ে খোলামেলা আলোচনা
ব্রাইটন ফ্যানস ফোরামের শেষ পর্বে ক্লাবটির প্রধান নির্বাহী পল বারবার ম্যাচডে টিকিটিংয়ের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে কোচ ফ্যাবিয়ান হার্জেলার দলের ভারসাম্য বজায় রাখার উপায় নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন।
হোম গ্যালারির টিকিটে সফরকারী দলের সমর্থকরা কীভাবে প্রবেশ করছে, তা নিয়ে এক দর্শক প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, এর ফলে প্রকৃত ভক্তরা অনেক সময় টিকিট পাচ্ছেন না।
এই প্রশ্নের জবাবে পল বারবার বলেন, “দুঃখজনকভাবে, এই টিকিটগুলোর একটি বড় অংশ ব্রাইটন ভক্তরাই বিক্রি করছেন। তাই প্রথমেই আমাদের নিজেদের এই অভ্যাস থেকে সরে আসতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি যে, হোম সমর্থকরা যদি কালোবাজারে টিকিট বিক্রি করেন, তবে তা স্টেডিয়ামে উত্তেজনা তৈরি করে এবং প্রকৃত ভক্তদের হতাশ করে। এছাড়া স্থানীয় কিছু মানুষ সদস্যপদ কিনে টিকিট সংগ্রহ করেন। তারা অন্য ক্লাবের সমর্থক কি না, তা ক্লাব কর্তৃপক্ষের পক্ষে আগে থেকে নির্ধারণ করা খুব কঠিন। যখন তারা নিজেরাই নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করেন, কেবল তখনই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে টিকিট বিক্রির একটি বড় অংশ আসে আমাদের নিজস্ব ভক্তদের কাছ থেকেই। আমাদের এটি বন্ধ করতে হবে, কারণ এটি দলের জন্য কোনোভাবেই সহায়ক নয়।”
অন্যদিকে, নতুন সেন্ট্রাল-ডিফেন্ডারদের অন্তর্ভুক্তি এবং কার্লোস বালেবার ইনজুরি নিয়ে কোচ ফ্যাবিয়ান হার্জেলারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে তিনি কি খেলার ধরনে পরিবর্তন আনবেন এবং সবাইকে কীভাবে খুশি রাখবেন।
ফ্যাবিয়ান হার্জেলার জানান, “সবাইকে খুশি রাখা একজন কোচের জন্য সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ। আপনাকে পরিষ্কার থাকতে হবে যে, কিছু মুহূর্তে খেলোয়াড়রা হতাশ হবেই। তবে সততার মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ব্যাক-ফোর ফরমেশনে বেশ সফল ছিলাম। তবে আমি শুধু ফরমেশনের ওপর ভিত্তি করে কাজ করতে চাই না, বরং মূলনীতির ওপর জোর দিই। কারণ খেলোয়াড়রা যদি পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে, তবে যেকোনো ফরমেশনে খেলা আমার জন্য সহজ হয়। আমরা ব্যাক-ফোর নীতিতেই থাকব, তবে আমাদের নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ রয়েছে, যা একজন কোচ হিসেবে আমার জন্য দারুণ।”
কার্লোস বালেবার চোট নিয়ে তিনি বলেন, “আমি আশাবাদী যে তার আঘাত খুব একটা গুরুতর নয় এবং আমরা তাকে দ্রুতই মাঠে ফিরতে দেখব। তাকে নিয়ে খুব বেশি চিন্তার প্রয়োজন নেই।”
