আলভারো আরবেলোয়ার কারণে জোন গাম্পার ট্রফি থেকে ফুলহ্যামকে বাদ দিল বার্সেলোনা
চলতি বছরের জোন গাম্পার ট্রফির প্রতিপক্ষ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনল বার্সেলোনা। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ডিফেন্ডার আলভারো আরবেলোয়া ফুলহ্যামের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায়, ক্লাবটি শেষ পর্যন্ত তাদের আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
মুন্দো দেপোর্তিভো-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক-মৌসুমের এই ঐতিহ্যবাহী ম্যাচটির জন্য বার্সেলোনা বেশ কয়েকটি ক্লাবের নাম বিবেচনায় রেখেছিল। সেখানে তালিকার সামনের দিকেই ছিল ইংলিশ ক্লাব ফুলহ্যাম। প্রিমিয়ার লিগের উচ্চমানের ফুটবল এবং হ্যান্স ফ্লিকের শিষ্যদের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে যাচাই করার সুযোগ থাকায় ফুলহ্যামকে একটি আকর্ষণীয় বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
কিন্তু ফুলহ্যামের কোচ পরিবর্তনের বিষয়টি বার্সেলোনার পরিকল্পনাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। শেষ পর্যন্ত মিশরের শীর্ষ ক্লাব আল আহলিকে এই বছরের জোন গাম্পার ট্রফির প্রতিপক্ষ হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।
জোন গাম্পার ট্রফি থেকে বাদ পড়ল ফুলহ্যাম
নতুন মৌসুম শুরুর আগে একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ আয়োজন করতে চেয়েছিল বার্সেলোনা, যা দলের প্রস্তুতির জন্য কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। ফুলহ্যামের মতো প্রিমিয়ার লিগের একটি দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়ার বিষয়টি ক্লাবের অনেকগুলো চাহিদাই পূরণ করছিল।
তবে ফুলহ্যাম যখন কোচ হিসেবে আলভারো আরবেলোয়ার নাম ঘোষণা করে, তখনই পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায়। খেলোয়াড়ি জীবন থেকেই বার্সেলোনা সমর্থকদের কাছে রিয়াল মাদ্রিদের এই সাবেক ডিফেন্ডার খুব একটা জনপ্রিয় নন। সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রিদের কোচিং কাঠামোতে থাকা এবং বিভিন্ন সময় তার বিতর্কিত মন্তব্য বার্সেলোনা সমর্থকদের ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তাকে প্রতিপক্ষ দলের কোচ হিসেবে দেখার বিষয়টি বার্সেলোনার কাছে খুব একটা পছন্দনীয় ছিল না।
আয়াক্স ও ক্রুজ আজুলের কথাও বিবেচনা করেছিল বার্সেলোনা
প্রস্তুতির এই পর্যায়ে বার্সেলোনা শুধু ফুলহ্যামের কথাই ভাবেনি। ক্লাবের স্পোর্টিং বিভাগ নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ক্লাব আয়াক্স এবং মেক্সিকান দল ক্রুজ আজুলকেও আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাব্যতা যাচাই করেছিল। এই দুই ক্লাবকেও বার্সেলোনা বার্ষিক এই টুর্নামেন্টের জন্য উপযুক্ত বিকল্প হিসেবে দেখেছিল।
তবে সব পক্ষের সাথে আলোচনা করেও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি করা সম্ভব হয়নি। মূলত লজিস্টিক ও বিভিন্ন সাংগঠনিক জটিলতার কারণে এই দুটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ আর আলোর মুখ দেখেনি। সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম সফল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্লাব আল আহলির সাথে চুক্তি চূড়ান্ত করে বার্সেলোনা।
