প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় লিওনেল মেসি
সম্প্রতি নরওয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে থমাস টুখেলের শিষ্যরা বুধবার আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে। ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসির দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সুযোগ হয়নি। তাই এবারের ম্যাচটি তার জন্য বেশ ব্যতিক্রমী।
২০০৫ সালের একটি প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সুযোগ ছিল মেসির, কিন্তু লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি সেই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। ফিফার শীর্ষ ১০ র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দলগুলোর মধ্যে মরক্কো এবং আর্জেন্টিনা বাদে বাকি সব দলের বিপক্ষেই খেলেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। এমনকি খেলা সাতটি দলের মধ্যে ছয়টির বিপক্ষেই গোল করার কৃতিত্ব রয়েছে তার।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেসি। ফ্যাব্রিজিও রোমানোর মাধ্যমে তিনি জানান, “ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা বিশেষ কিছু হবে। এই প্রথম আমি তাদের মুখোমুখি হচ্ছি। তাদের বাদে প্রায় সব দলের বিপক্ষেই আমি খেলেছি। ইংল্যান্ড একটি দুর্দান্ত ফুটবল শক্তি, এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা সবসময়ই উত্তেজনার।”
মেসি যেহেতু আগে কখনও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেননি, তাই স্বাভাবিকভাবেই আর্সেনালের চার ইংলিশ খেলোয়াড়— বুকায়ো সাকা, ডেক্লান রাইস, নোনি মাদুয়েকে এবং এবেরেচি এজে— প্রথমবারের মতো তার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালে আর্সেনাল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরার সময়ই মেসি পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেন। এর আগে মাদুয়েকে ক্লাব বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ইন্টার মিয়ামির বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাননি। সব মিলিয়ে বুধবারের এই সেমিফাইনাল ম্যাচটি আর্সেনালের এই চার খেলোয়াড়ের জন্য একটি বড় উপলক্ষ হতে যাচ্ছে।
ফিফার শীর্ষ ১০ র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দলের বিপক্ষে মেসির রেকর্ড
